মৌলভীবাজারে পাহাড়ি ঢলে গোগালিছড়া ও বালিয়াছড়ার বাঁধ ভেঙে প্রায় ৩০ গ্রাম প্লাবিত ও ৬শ হেক্টর বোরো ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।
গ্রাম প্লাবিত
ফেনীর উপকূলীয় উপজেলা সোনাগাজীর অন্তত ১১টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে সেখানকার অনেক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোতে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও তা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
ফেনীতে ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজানের পানিতে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১৪টি স্থান ভেঙে গেছে।
উজানের ঢলে সোমেশ্বরী নদীর বাঁধ ভেঙে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। রোববার (১৮ মে) ভোররাতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাঁধ।
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে অন্তত ছয়টি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
অতিবৃষ্টি ও প্রবল জোয়ারে বেতনা নদীর ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ গত ৪ দিনেও মেরামত করতে পারেনি স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড
খুলনার পাইকগাছায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ গত দুই দিনেও মেরামত করা সম্ভব হয়নি। দু’দফায় মেরামত করা বাঁধ জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে ১৩ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার তিন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় দেড়মাসের ব্যবধানে তৃতীয় দফায় বন্যার পানিতে ডুবছে জনপদ। গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজানের পানিতে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১৭টি ভাঙন অংশে পানি প্রবেশ করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।